বাতাসআগুন

দুজন দ্রুত মানুষ, আর ঝগড়াটা কখনোই গতি নিয়ে নয়

স্যাঙ্গুইন আর কলেরিক স্বভাব মানচিত্রে পাশাপাশি দাঁড়ায়: দুজনেই বাইরের দিকে অনেক কাজ পাঠায়, দুজনেই সহজে শুরু করে, দুজনেই অপেক্ষার চেয়ে করাটা পছন্দ করে। পার্থক্য বেরোয় তখনই, যখন কিছু একটা এদিক-ওদিক হয়, আর ঠিক সেখানেই এই জুটির কাজ।

  • প্রায় এক গতি: ব্যবধান চার পয়েন্ট
  • এই জুটির সবচেয়ে বড় ব্যবধান তীব্রতায়
  • সক্রিয়তায় দুজনেই মাঝামাঝির উপরে
টেস্ট দিয়ে নিজের সূত্র দেখুন

এক মাটির উপরে খোলা বাতাস আর খোলা আগুন, আর ঠিক যেখানে পার্থক্য চওড়া হয় সেখানে বোনা সুতো।

স্যাঙ্গুইন স্বভাবের অবয়বস্যাঙ্গুইন
কলেরিক স্বভাবের অবয়বকলেরিক

এই দুজন কি মেলে

মেলে, আর ওই এক শব্দের পিছনে অনেক বেশি কাজের একটা প্রশ্ন লুকিয়ে আছে। এই দুই স্বভাবের দুজন মানুষ গতি নিয়ে, পরিকল্পনা নিয়ে, বা এক সপ্তাহে কতজন মানুষ ধরে তা নিয়ে প্রায় কখনো লাগে না: এসবে তারা কথা না বলেই একমত। যেখানে ঠোকাঠুকি লাগে সেটা তাপমাত্রা। একজন এক সেকেন্ডে জ্বলে ওঠে আর এক ঘণ্টা পরে আর কিছুই বোঝায় না; অন্যজন প্রায় জ্বলেই না আর চড়া গলাকে গোটা সম্পর্কের রায় হিসেবে পড়ে।

তাই সৎ উত্তরটা হ্যাঁও নয়, নাও নয়। এই জুটির একটা অস্বাভাবিক চওড়া সাধারণ ইঞ্জিন আছে আর দুটো সরু জায়গা আছে, আর প্রতিটা সরু জায়গা এক বাক্যে ধরে যায়। যেকোনো রায়ের চেয়ে সেটা দামি: যে জুটি জানে তারা কোথায় ঘষা খায়, তারা একই সন্ধ্যা দ্বিতীয়বার হলে আর অবাক হয় না।

এই পাতা যা করে না

  • মিলের শতাংশ দেয় না। ওরকম সংখ্যার পিছনে কোথাও জনসংখ্যার তথ্য নেই, আমাদের কাছেও নেই।
  • কোনো জুটিকে ভালো বা খারাপ বলে না। প্রতিটা মিলের নিজের সহজ জায়গা আছে আর নিজের কাজ আছে।
  • কোনো একটা স্বভাব পুরো ব্যাখ্যা করে না: তার জন্য স্বভাবের দুটো আলাদা পাতা আছে।

এই দুজন কোথায় দাঁড়ায়

মডেল প্রতিটা ফলাফল দুটো অক্ষে বসায়: বাইরের দিকে কতটা কাজ যায়, আর চাপের নিচে ভিতটা কতটা স্থির থাকে। প্রথম অক্ষ দুজনের একই, দ্বিতীয় অক্ষে তারা আলাদা হয়।

স্যাঙ্গুইন
77 তৎপরতা, 70 স্থিরতা
কলেরিক
74 তৎপরতা, 38 স্থিরতা

এটা এই টেস্টের মডেল অনুযায়ী দুই স্বভাবের চেনা অবস্থান, জনসংখ্যার মান নয় আর নির্দিষ্ট দুজন মানুষের ফলাফলও নয়। একই স্বভাবের ভিতরে মানুষে মানুষে অনেক তফাত, আর সত্যিকারের জুটি এর চেয়ে কাছে বা দূরে দাঁড়াতে পারে।

ফ্লেগম্যাটিকস্যাঙ্গুইনমেলানকলিককলেরিকস্যাঙ্গুইনকলেরিকতৎপরতাস্থিরতা
সক্রিয়তা আর স্থিরতার অক্ষে দুই স্বভাবের চেনা অবস্থান।

জুটির সাতটি মাপ

প্রতিটা সারি টেস্টের একটা স্কেল, দুই স্বভাবের জন্যই নেওয়া। দুই বিন্দুর মধ্যেকার দূরত্বটাই সেই জিনিস, যাকে মেলা আর না-মেলা শব্দ দুটো এক শব্দে ধরতে চায়।

স্কেলের মাঝখান
স্যাঙ্গুইনকলেরিকপ্রতিটা নামের নিচের সংখ্যা ওই মাপে দুই স্বভাবের মধ্যেকার দূরত্ব।

প্রতিটা সারির পাশের সংখ্যা স্কেলের এককে দুই স্বভাবের মধ্যেকার দূরত্ব। বেশি মানে ভালো নয়: প্রতিটা প্রান্তের নিজের শক্তি আছে আর নিজের দাম আছে, আর এই জুটিতে দুটোই দেখা যায়।

কোনটা সহজে আসে

তিনটে জায়গা যেখানে দুজনে বিনা চেষ্টায় মেলে। এটাই এই জুটির সাধারণ সম্পদ, আর ভারী সপ্তাহগুলো এটাই টেনে নেয়।

  • এক গতি

    ঠাসা দিন দুজনের কাছেই স্বাভাবিক। কে আগে ক্লান্ত হবে সেই হিসেবে পরিকল্পনা প্রায় বদলাতে হয় না, আর ফাঁকা সন্ধ্যায় বাইরে বেরোতে চাওয়ার জন্য কাউকে দুঃখ প্রকাশ করতে হয় না। এই মাপে দূরে দাঁড়ানো জুটিরা বছরের পর বছর যা নিয়ে দরকষাকষি করে, এই দুজনের তা নিয়ে কথাই বলতে হয় না।

  • মেলামেশার একই রুচি

    দুজনেই মানুষের মাঝে শক্তি নেয়, তাদের থেকে সরে যায় না। অতিথি, ভরা টেবিল আর গমগমে ঘর দুজনেরই আনন্দ, একজনের তরফ থেকে অন্যজনের জন্য ছাড় নয়, আর সপ্তাহটাকে এর সন্ধ্যা আর ওর সন্ধ্যা বলে ভাগ করতে হয় না।

  • পরিকল্পনা বদল কোনো সংকট নয়

    নমনীয়তায় দুজনেই মাঝামাঝি বা তার উপরে, তাই বাতিল হওয়া সন্ধ্যা বা নতুন পথ খবর, আঘাত নয়। এই মাপে ভাগ হয়ে যাওয়া জুটিরা প্রতিটা বদলের প্রথম ঘণ্টা বদলটা নিয়েই তর্কে কাটায়; এই দুজন সেই ঘণ্টায় ঠিক করে ফেলে তার বদলে কী করা হবে।

কোথায় ঘষা লাগে আর কেন

তিনটে সরু জায়গা, আর একটাও কোনো একজনের দোষ নয়। তিনটেই জন্মায় ওই একই সাধারণ ইঞ্জিন থেকে, শুধু দেখা হয় দুটো আলাদা সীমা থেকে।

  • কোথা থেকে যেন বিস্ফোরণ

    কলেরিকের প্রতিক্রিয়া দ্রুত ওঠে: দেরি, ভাঙা কথা বা ধীর উত্তর বাক্য শেষ হওয়ার আগেই গলা চড়িয়ে দেয়। স্যাঙ্গুইনের দিকে অত বড় কিছু ঘটেই না, তাই ওই প্রতিক্রিয়াটা ওই সন্ধ্যার রায় নয়, গোটা সম্পর্কের রায় হিসেবে পড়া হয়।

    যা কাজে লাগে: আগে থেকেই ঠিক করে নেওয়া, যে চড়া গলা ওই মুহূর্তটার খবর, অন্যজনের সম্পর্কে খবর নয়, আর বাক্যটা পরে শেষ করা হবে, ভার নেমে যাওয়ার পর।

  • একজন বন্ধ করছে, অন্যজন চলে গেছে

    যা খোলা হয়েছে কলেরিক তা শেষ করে আর অন্যজনের কাছেও সেটাই আশা করে। স্যাঙ্গুইন সহজে খোলে আর শেষ এক-তৃতীয়াংশের আগেই আগ্রহ হারায়, গাফিলতিতে নয়, পরের কাজটা টেনে নেয় বলে। কয়েকবার হলে ওটা এমন বিরক্তি হয়ে দাঁড়ায় যার পাশে একটা কথাও থাকে না।

    যা কাজে লাগে: কাজটা ধাপে ভাগ করা, সমান দুভাগে নয়: শুরুটা একজনের, শেষ এক-তৃতীয়াংশ অন্যজনের, আর দুজনেই সেটা গোড়াতেই বলে রাখে।

  • শব্দের দাম একজনের কাছে বেশি

    কলেরিকের সীমা নিচু: আধা-গোছানো ঘর, পিছনে চলা টিভি আর একসঙ্গে তিনটে কথা এমন দাম নেয় যা অন্য দিক থেকে দেখাই যায় না, কারণ ওই একই ঘর তার কাছে শুধু প্রাণবন্ত। তারপর সন্ধ্যাটা খারাপভাবে শেষ হয় এমন কারণে, যার নাম কেউ বলেনি।

    যা কাজে লাগে: আশপাশটাকে সত্যিকারের আলোচনার বিষয় ধরা, গতি বা টাকার মতোই, আর ঘরের ব্যাপারে শেষ কথাটা যার সীমা সূক্ষ্ম তাকে দেওয়া।

জীবনের পাঁচটা দিক

একই সাতটা মাপ ঘনিষ্ঠতায়, কাজে আর ঘরে আলাদা আচরণ করে। নিচে একই জুটির পাঁচটা দৃষ্টিকোণ।

ভালোবাসা আর ঘনিষ্ঠতায়

কাজ চলার মতো পার্থক্য

ঘনিষ্ঠতা দ্রুত আসে আর উষ্ণ থাকে। এক গতির কারণে বেড়ানো, পরিকল্পনা আর মানুষজন কখনোই যুদ্ধক্ষেত্র হয় না। যেটা ঘুরে ঘুরে ফেরে সেটা স্বর: স্যাঙ্গুইন তাপের মধ্যে দূরত্ব শোনে, কলেরিক হালকা ভাবের মধ্যে উদাসীনতা শোনে, আর দুটো পাঠই ভুল।

একসঙ্গে কাজ করলে

কাজ চলার মতো পার্থক্য

একটা শর্তে খুব শক্ত কাজের জুটি। দুজনেই ভালো শুরু করে আর দুজনেই ঠেলে, তাই প্রশ্নটা শক্তির নয়, মালিকানার: শেষ কথা কে বলে আর শেষ এক-তৃতীয়াংশ কে বয়। একবার লিখে রাখলে ওটা আর ঝগড়া থাকে না; না বলে রাখলে ওটাই প্রতিটা ঝগড়া হয়ে দাঁড়ায়।

ঘরে আর পরিবারে

কাজ চলার মতো পার্থক্য

ঘর দ্রুত চলে আর তবু আরামের থাকে। ঘষা লাগে ঘরের কাজে নয়, আশপাশে: গোছানো ভাব আর নীরবতা একদিকে বেশি ভারী। এটা তর্ক দিয়ে নয়, সীমা দিয়ে ঠিক করলে যেকোনো কাজের তালিকার চেয়ে বেশি সন্ধ্যা বেঁচে যায়।

কথায় আর তর্কে

কাজ চলার মতো পার্থক্য

কথা বলা সহজ, ঝগড়া দ্রুত, আর দুজনের শেষ হয় দুই সময়ে। একজন ঠিক হয়ে গেছে, অন্যজন তখনো ভার বইছে। যে নিয়মটা কাজ করে সেটা সোজা: চাওয়ামাত্র ভুলে যাওয়া কারও দায়িত্ব নয়।

কার কতটা পরিসর দরকার

কাজ চলার মতো পার্থক্য

দুজনেই সোজাসুজি, তাই সীমা ইশারায় নয়, কথায় বলা হয়। সাবধান হতে হয় দুটো জায়গায়: একদিকে শব্দ আর বাধা নিয়ে সূক্ষ্মতর সীমা, অন্যদিকে সহজ ধরে নেওয়া যে সব ঠিক আছে, কারণ কথাটা হালকা করে বলা হয়েছে।

কে চালায়, কে ধরে রাখে

মডেল অনুযায়ী কোন ভূমিকা কার দিকে সহজে যায়, যখন কেউ কিছু ঠিক করে রাখেনি। শুধু সেগুলোই লেখা হলো যেখানে সত্যিকারের পার্থক্য আছে।

  • যিনি হাল ধরেন

    কলেরিক

    দিক সাধারণত কলেরিকের দিক থেকে আসে: সিদ্ধান্ত আগে, ব্যাখ্যা পরে। এভাবে জুটি দ্রুত এগোয়, আর এটা কাজ করে যতক্ষণ অন্যজনকে জিজ্ঞেস করা হয়, শুধু জানানো হয় না।

  • যিনি পথ ধরে রাখেন

    স্যাঙ্গুইন

    এখানে স্থিরতর ভিত স্যাঙ্গুইনের। ভারী সপ্তাহের পরে ঘরের হাওয়া ওই দিক থেকেই ফেরে, আর সেটা এত সহজে ঘটে যে কেউ ওটাকে কাজ বলে গোনেই না।

  • যিনি আগে ঠান্ডা হন

    স্যাঙ্গুইন

    স্যাঙ্গুইন আগে স্বাভাবিক হয়ে যায়। এটা বেশি পরিণত হওয়া নয়, শুধু ছোট পুনরুদ্ধার: একই ঘটনায় একজনের এক ঘণ্টা যায়, অন্যজনের একটা দিন।

  • যিনি আগে খেয়াল করেন

    কলেরিক

    কলেরিক আশপাশটা আগে ধরে: স্বর, দেরি, কোণে পড়ে থাকা আধখেঁচড়া জিনিস। বাইরে থেকে যেটা সহজে খেপে যাওয়ার মতো দেখায়, সেটা সাধারণত নিচু সীমা।

ভূমিকা পদ নয়, নম্বরও নয়। যে চালায় সে উপরে নয় আর যে ধরে রাখে সে দুর্বল নয়: জুটি চলে ভাগাভাগিতে, বশ্যতায় নয়। সত্যিকারের যেকোনো জুটি সজ্ঞানে এই ভূমিকা বদলে নিতে পারে, আর অনেকেই তা করে।

দুজন দুজনকে কীভাবে দেখে

দুটো দৃষ্টিকোণ, দুটো সত্য নয়। প্রতিটা পক্ষ বলছে সে প্রথমে কী লক্ষ করে, আর এর একটাও অন্যজন সম্পর্কে তথ্য নয়।

  • স্যাঙ্গুইন, কলেরিকের দিক থেকে

    সহজ বন্ধু আর হালকা শুরু, তারপর এমন একজনের অনুভূতি যে বড় তাড়াতাড়ি ছেড়ে দেয়। যেটা উদাসীনতা বলে পড়া হয় সেটা সাধারণত ছোট প্রতিক্রিয়ার রেখা: স্যাঙ্গুইন সত্যিই আর অনুভব করে না, ওটা গুরুত্বহীন বলে ঠিক করে না। কাছ থেকে দেখলে ওই হালকা ভাবটাই গোটা সপ্তাহ ঘরটাকে টান টান হতে দেয় না।

    স্যাঙ্গুইন
  • কলেরিক, স্যাঙ্গুইনের দিক থেকে

    জোরালো তাগিদ আর লক্ষ্যের দিকে সোজা রেখা, তারপর এমন বিস্ফোরণ যা মাপে মেলে না। যেটা রাগ বলে পড়া হয় সেটা সাধারণত দ্রুত প্রতিক্রিয়া, যার এখনো যাওয়ার জায়গা হয়নি। কাছ থেকে দেখলে এটাই সেই শক্তি, যা দুজনের শুরু করা কাজ শেষ করে, নইলে সেসব আধাখেঁচড়া পড়ে থাকত।

    কলেরিক

চারটে চুক্তি

এই জুটিরই সরু জায়গা থেকে তোলা, সম্পর্কবিষয়ক সাধারণ উপদেশের তালিকা থেকে নয়।

  1. 01

    তাপমাত্রার নাম বলুন, মানুষের নাম নয়

    বাক্যটা হলো আমি এখন দশে দশ, অন্যজন সবসময় সব নষ্ট করে নয়। প্রথমটার উত্তর দেওয়া যায়, দ্বিতীয়টা শুধু তাপ বাড়ায়।

  2. 02

    শেষ এক-তৃতীয়াংশ গোড়াতেই ভাগ করুন

    শুরুতেই ঠিক করা হোক কে কাজ বন্ধ করে, কে টিকিট কাটে, কে ফোন করে। নইলে সেটা প্রতিবার একই দিকে পড়ে আর চুপচাপ বিল জমায়।

  3. 03

    ঘরে সূক্ষ্মতর সীমাই ঠিক করে

    শব্দ, অগোছালো ভাব আর বাধা যাকে বেশি লাগে, আশপাশটা সে ঠিক করে। অন্যজনের কাছে দাম প্রায় শূন্য আর সন্ধ্যাটা বেঁচে যায়।

  4. 04

    চাওয়ামাত্র ভার নেমে যাক এমন দাবি নয়

    একজন এক ঘণ্টায় ওটা পেরিয়ে গেছে, অন্যজনের একটা দিন লাগে। দুটোই স্বাভাবিক। কখন কথায় ফেরা হবে সেটা ঠিক করা এখনই দাবি করার চেয়ে ভালো।

এই জুটি নিয়ে যা বলা হয়

দুজন শক্ত মানুষ একসঙ্গে থাকতে পারে না, কাউকে না কাউকে ছাড়তেই হয়।

জুটিকে যা ধরে রাখে সেটা ছেড়ে দেওয়া নয়, ভূমিকা ভাগ করা। দুজন ঠেলা মানুষ ভালো চলে যখন এলাকা আলাদা, আর খারাপ চলে যখন প্রতিটা প্রশ্ন প্রতিযোগিতা হয়ে যায়।

কেউ চিৎকার করলে বুঝতে হবে জুটিটা দরজার দিকে যাচ্ছে।

গলার জোর আর বিষয়ের ওজন দুটো আলাদা স্কেল। দ্রুত প্রতিক্রিয়া বলে একজন কত দ্রুত জ্বলে ওঠে, সম্পর্কটা তার কাছে কতটা দামি তা বলে না।

যে হালকা, সে আসলে কম যত্ন নেয়।

ছোট পুনরুদ্ধারের রেখা উদাসীনতা নয়। একই ঘটনা একদিকে আগে শেষ হয়, আর সেটা স্নায়ুতন্ত্রের ধরন, কোনো সিদ্ধান্ত নয়।

বিপরীতেরাই টানে, তাই এত মিলে যাওয়া জুটির একঘেয়ে লাগবে।

দুজন সব জায়গায় মেলে না: তীব্রতায় তাদের ব্যবধান চল্লিশ পয়েন্টের বেশি। কাছাকাছি গতি আর আলাদা সীমা খুব চেনা মিল, আর তাতে একঘেয়েমির কিছু নেই।

আর নিজেদের জুটি

উপরের সবটা দুই স্বভাবের চেনা প্রতিনিধিদের বর্ণনা। সত্যিকারের মানুষ বিশুদ্ধ ধরন নয়, মিশ্রণ বয়ে নিয়ে চলে, তাই এই পাতার কাজে লাগা সংস্করণটা সেটাই যেটা দুটো সত্যিকারের ফলাফল থেকে বানানো: নিজের স্কেল সঙ্গীর স্কেলের পাশে, চেনা দূরত্বের বদলে সত্যিকারের দূরত্ব নিয়ে।

দুটো ফলাফল মিলিয়ে দেখুন

দুজনেই আলাদাভাবে টেস্ট দেয় আর নিজের ফলাফল নিজের কাছে রাখে। ওই তুলনা কোথাও প্রকাশ করা হয় না, আর দুজনের যে কেউ যেকোনো সময় ভাগ করা বন্ধ করতে পারে।

এরপর কোথায়

স্বভাবের পাতা প্রতিটাকে পুরোপুরি ব্যাখ্যা করে। আর মিশ্রণের পাতা একজন মানুষ নিয়ে, যার ভিতরে দুটো শক্তিই আছে, আর সেটা আলাদা প্রশ্ন।

যে প্রশ্নগুলো প্রায়ই আসে

01

স্যাঙ্গুইন আর কলেরিক কি ভালো জুটি

এই মডেলে ভালো বা খারাপ মিল বলে কিছু নেই, আর ওরকম দাবির পিছনে কোনো শতাংশও নেই। এই জুটি গতি, শক্তি আর মানুষের প্রয়োজন ভাগ করে নেয়, যা দৈনন্দিন সংঘাতের একটা গোটা শ্রেণি মুছে দেয়। সবচেয়ে বড় ব্যবধান তীব্রতায় আর শুরু করা কাজ কে শেষ করে তাতে, আর ঠিক ওই দুটো জায়গাই কথা বলে ঠিক করে নেওয়ার মতো।

02

তারা এত তাড়াতাড়ি ঝগড়ায় জড়ায় কেন

কারণ প্রতিক্রিয়ার রেখা একদিকে খাড়া আর অন্যদিকে সমতল। কলেরিকের প্রতিক্রিয়া কয়েক সেকেন্ডে চূড়ায় ওঠে আর স্যাঙ্গুইনের প্রায় ওঠেই না, তাই একই ঘটনা একজনের কাছে ঝড় আর অন্যজনের কাছে সাধারণ সন্ধ্যা। কত দ্রুত জ্বলে ওঠা হলো তা নিয়ে বিরোধের আসল ওজন সম্পর্কে কিছুই বলে না।

03

এই জুটিতে কে দিক ঠিক করে

মডেল অনুযায়ী দিক কলেরিকের দিক থেকে সহজে আসে আর স্থিরতর ভিত স্যাঙ্গুইনের দিক থেকে। এটা সহজ পথের ছবি, কোনো ক্রম নয়। ভূমিকা পদ নয়: জুটি চলে ভাগাভাগিতে, বশ্যতায় নয়, আর সজ্ঞানে ভূমিকা বদলে নেওয়া একদম স্বাভাবিক ব্যাপার।

04

এই দুই স্বভাবের দুজন কি একসঙ্গে কাজ করতে পারে

পারে, আর কাজের দিক থেকে এটা বেশি শক্ত মিলগুলোর একটা, কারণ দুজনেই সহজে শুরু করে আর কেউ কাউকে ধীর করে না। শর্তটা মালিকানা: জুটিকে আগে থেকে জানতে হয় কোন বিষয়ে শেষ কথা কে বলে আর কাজের শেষ এক-তৃতীয়াংশ কে বয়। না বলে রাখলে ওটা স্থায়ী ঝগড়া হয়ে দাঁড়ায়।

05

স্বভাবের জোড়া দিয়ে কি সম্পর্কের ভবিষ্যদ্বাণী করা যায়

যায় না। স্বভাব বলে একজন মানুষ কত দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখায়, সামলে ওঠে আর ক্লান্ত হয়, কিন্তু সে কী মূল্য দেয়, কীসের ভিতর দিয়ে গেছে বা ঝগড়া করতে কীভাবে শিখেছে তা বলে না। এটা দৈনন্দিন ঘষার একটা সত্যিকারের অংশ ব্যাখ্যা করে, তার বেশি নয়, তাই এই পাতা কথা বলে ঠিক করার জায়গাগুলোর কথা বলে, শেষ পরিণতির কথা নয়।

এক জুটি, দুটো ফলাফল

উপরের পাতাটা স্বভাব নিয়ে লেখা। সত্যিকারের জুটি দুজন মানুষ নিয়ে, আর যেটা জরুরি সেটা তাদের নিজেদের দূরত্ব। টেস্টে প্রায় কুড়ি মিনিট লাগে আর প্রত্যেককে চারটে স্বভাবের সূত্র দেয়।

টেস্ট দিন