ধরন, মাত্রা আর বৈশিষ্ট্য-মডেল কোথায় দাঁড়ায়
দ্বিতীয় লম্বা তর্কটা শব্দ নিয়ে একেবারেই নয়। সেটা এই নিয়ে যে মানুষ আসে ধরনে, নাকি মাত্রায়।
ধরনভিত্তিক মডেল মানুষকে দলে ভাগ করে আর প্রতিটি দলকে একটা নাম দেয়। বৈশিষ্ট্যভিত্তিক মডেল সবাইকে একই ধারাবাহিক স্কেলে বসায় আর প্রতিটিতে অবস্থান পড়ে। গবেষণা অনেক দিন ধরেই মাত্রায় কাজ করছে, আর বৈশিষ্ট্য-মডেলের সবচেয়ে পরিচিত পরিবারটিকে সাধারণত Big Five বলা হয়: পাঁচটি চওড়া মাত্রা, প্রতিটি পড়া হয় ডিগ্রি হিসেবে। সেটি ব্যক্তিত্বের স্তরের বর্ণনা দেয়, আর কখনও দাবি করেনি যে কেবল তার জন্মগত অংশটুকুর বর্ণনা দিচ্ছে।
আমাদের টেস্টও মাত্রায় কাজ করে। আটটি স্কেল, প্রতিটি পড়া হয় অবস্থান হিসেবে, হারানোর মতো নম্বর হিসেবে নয়, আর চারটি পুরোনো নাম আসে তার পরে, আকৃতি নিয়ে কথা বলার উপায় হিসেবে। ওগুলো ঢুকে পড়ার মতো চারটি বাক্স নয়, আর সেই কারণেই এখানে ফলাফল একটি শব্দ নয়, চারটি শতাংশ।
দুটো ব্যবস্থা একই মানুষের বর্ণনা দিয়েও লেবেলে না মিলতে পারে, কারণ তারা আলাদা গাঁটে কাটে। এটা মানচিত্রের ধর্ম, কোনো একটি মিথ্যা বলছে তার চিহ্ন নয়।
অন্য প্রশ্নমালা আর মডেলের নাম তাদের স্বত্বাধিকারীদের। এই প্রকল্প তাদের কারও সঙ্গে যুক্ত নয়, তাদের প্রশ্ন নকল করে না, আর এখানকার ফলাফল ওখানকার ফলাফলে রূপান্তরিত হয় না।